লেবু জাতীয় ফল (ভিটামিন সি), সবুজ শাক, হাড়ের রসের মতো পুষ্টিগুণে ভরপুর উপাদান ব্লেন্ড করে অথবা স্মুদিতে কোলাজেন পেপটাইড যোগ করে ঘরেই কোলাজেন পানীয় বা ড্রিংকস তৈরি করতে পারেন।
ঘরেই কোলাজেন পানীয় তৈরি করার জন্য নিচে কিছু বৈজ্ঞানিক রেসিপি দেওয়া হলো:
ম্যাজিক মর্নিং গ্লো-টনিক:
৩/৪ কাপ ডাবের পানি, ১/৪ কাপ পানি, ১ টেবিল চামচ মধু, একটি লেবুর রস, ১ চা চামচ আদার রস, ১/৪ চা চামচ হলুদ গুড়া এবং ১/৪ চা চামচ গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে নিন। এবার এই মিশ্রণটি খেয়ে নিন।
সাইট্রাস-বেরি কোলাজেন স্মুদি:
১ কাপ মিশ্র বেরি ফল, ১টি কমলা, ১ টেবিল চামচ কোলাজেন পাউডার, ১ টেবিল চামচ চিয়া সিড এবং ১/২ কাপ নারকেলের পানি একসাথে ব্লেন্ড করুন এবং নিয়মিত পান করুন।
আমলকি-বিটরুট বুস্টার:
১-২টি গাজর, অর্ধেক বিটরুট, ১টি আমলকি অল্প একটু পানির সাথে ব্লেন্ড করে ছেঁকে নিন। এবার সেই পানি পান করুন।
গ্রিন কোলাজেন জুস:
৬০ গ্রাম পালং শাক, অর্ধেক লেবু, আদা, পুদিনা এবং ডাবের পানি একসাথে ব্লেন্ড করুন এবং পান করুন।
কমলা-গাজরের স্মুদি:
১টি কাটা গাজর, ১টি কমলার রস, ১ টেবিল চামচ কোলাজেন পাউডার এবং ১ কাপ পানি একসাথে মেশান এবং পান করুন।
সেরা কোলাজেন পানীয়:
৬–৮টি আস্ত লবঙ্গ, ১ টেবিল চামচ চিয়া সিড, ১টি লেবুর রস, আধা চা চামচ কুঁচানো আদা, ১/৪ চা চামচ হলুদ গুঁড়া, ১ চা চামচ কাঁচা মধু, ৪–৫টি তাজা পুদিনা পাতা, এক চিমটি গোলমরিচ গুঁড়া, ৫০০ মিলি ফিল্টার করা পানি।
জেনে রাখুন
- ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা ও অস্থিসন্ধির স্বাস্থ্যের জন্য এসব মিশ্রণের পানীয় প্রতিদিন পান করুন।
- বেশি উপকার পাওয়ার জন্য সকাল বেলা পান করা আদর্শ সময়।
- শোষণ ক্ষমতা বাড়াতে প্রতিটি পানির সাথে হলুদ ও এক চিমটি গোলমরিচ যোগ করুন।
আশা করা যায়, দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যেই ফলাফল পাবেন।
সংরক্ষণ:
বেশিরভাগ ঘরে তৈরি এসব পানীয় ফ্রিজে ৩ দিন পর্যন্ত রাখা যায়, তবে ১২ ঘণ্টার মধ্যে পান করলে সবচেয়ে ভালো থাকে।
(বিদেশি জার্নাল অবলম্বনে লিখেছেন হৃদয় জাহান)
কমেন্ট