নন-কমিউনিকেবল রোগ সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি হওয়া দরকার

নন-কমিউনিকেবল রোগ সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধি হওয়া দরকার

নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ (এনসিডি) সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নির্ধারণে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে 'নন কমিউনিকেবল ডিজিজ অ্যান্ড আওয়ার ফিউচার' শীর্ষক একটি বৈজ্ঞানিক সেমিনার। উত্তরায় আয়োজিত এ সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ নন কমিউনিকেবল ডিজিজ অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা. মো. মোস্তাফিজুর রহমান। সেমিনারে চিফ স্পিকার হিসেবে নন-কমিউনিকেবল শিশু নিউরোলজি রোগ নিয়ে গভীর, তথ্যভিত্তিক ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপনা করেন ডা. তোশিবা রহমান। তার বক্তব্যে প্রতিরোধ, সচেতনতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুস্থতা নিশ্চিতকরণে কার্যকর দিকনির্দেশনা উঠে আসে, যা উপস্থিত চিকিৎসকদের মুগ্ধ করে। ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. শাখাওয়াত হোসেনের সঞ্চালনায় সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক ডা. নাজিয়া নাজনীন। আরও বক্তব্য দেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মাসুদ রানা, ত্বক বিশেষজ্ঞ ডা. মরিয়ম বেগম, কিডনি বিশেষজ্ঞ ডা. আবেদা কুদসী নওসি, ডেন্টাল সার্জন ডা. মারিয়া ফেরদৌস এবং বিএনজিডিএর প্রেসিডেন্ট ডা. ফারহান সাদিক খান। সেমিনারে দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অর্ধশতাধিক চিকিৎসক অংশগ্রহণ করেন। উল্লেখ্য, বাংলাদেশ নন কমিউনিকেবল ডিজিজ অ্যাওয়ারনেস ফাউন্ডেশন ২০১৮ সাল থেকে নন-কমিউনিকেবল রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কাজ করে যাচ্ছে।
দেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক হার্ট ফেইলিউর সম্মেলন অনুষ্ঠিত পরবর্তী

দেশে প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক হার্ট ফেইলিউর সম্মেলন অনুষ্ঠিত

কমেন্ট